দক্ষিণ সুরমায় সিসিকের ফের উচ্ছেদ অভিযান, দখলদাররা যত বড়ই প্রভাবশালী হোক না কেন এক্ষেত্রে কোন ছাড় নয় – মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী



প্রায় ৩ দিন বন্ধ থাকার পর সোমবার ( ৮ এপ্রিল) আবারো সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় অভিযান চালিয়েছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক)।

সোমবার সকাল থেকে অভিযান শুরু হয়ে চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। এসময় নগরীর হুমায়ুন রশীদ চত্তর থেকে শিববাড়ী বন্ধরঘাট রাজমহল ফেক্টরী পর্যন্ত অর্ধশতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে অভিযানে সড়ক ও জনপথ বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তা, সার্ভেয়ার ও বিপূল সংখ্যক পুলিশ সদস্য অংশ নেন। অভিযানে অর্ধশতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে সরকারি জমি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার অভিযান শেষে উপস্তিত সাংবাদিকদের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী জানান, প্রায় দুই যুগের ও বেশী সময় থেকে সরকারী এসব ভূমি দখল করে ভবন, কাঁচা-পাকা স্থাপনা নির্মাণ করে ব্যবসা-বানিজ্য করে আসছিল একটি প্রভাবশালী চক্র। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ২৭ নং ওয়ার্ডবাসীকে জলাবদ্ধতার হাত থেকে রক্ষা করতে ড্রেনের উপর নির্মিত এসব অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। মেয়র বলেন, দখলদাররা যতবড়ই প্রবাভশালী হোক না কেন তাদের দখল থেকে সরকারী ভূমি উচ্ছেদ করা হবে। এক্ষেত্রে কোন ছাড় দেয়া হবে না। তিনি বলেন, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শেষে ২৭ নং ওয়ার্ডের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ড্রেনের কাজ শুরু হবে। ফলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে দক্ষিণ সুরমার ২৭,২৬ ও ২৫ নং ওয়ার্ডে কোন ধরণের জলাবদ্ধতা থাকবেনা।
এর আগে এসব এলাকার সরকারি জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণকারীদের স্থাপনা সরিয়ে নিতে দখলদারদের একাধিকবার নোটিশ প্রদান করা হয়। তবে তাতে কর্ণপাত না করায় সোমবার অভিযানে নামেন মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

অভিযানকালে স্থানীয় কাউন্সিলর আজম খান, কাউন্সিলর তৌওফিক বক্স লিপন, তাকবিরুল ইসলাম পিন্টু, সিসিকের প্রকৌশলী আব্দুল আজিজ, এসএমপি পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (ট্রাফিক) নিকুলিন চাকমা, সিসিকের সহকারী প্রকৌশলী জয়দেব বিশ্বাস, উপ সহকারী প্রকৌশলী তামিম আহমদ সহ সিসিকের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিপূল সংখ্যক পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।