ছড়া উদ্ধার, সংরক্ষন ও সৌন্দর্য্যবর্ধনের চলমান প্রকল্পের কাজ শেষ হলে নগর আবারও প্রকৃতির কাছে ফিরে যাবে – মেয়র, আরিফুল হক চৌধুরী



সিলেট নগরে ক্রমবর্ধমান নাগরিকদের চাপ বেড়েই চলেছে। কিন্তু সে অনুযায়ী রাস্তা-ঘাট, ফুটপাত বাড়ছে না। নগরে পায়ে হাঁটার নতুন পথ সৃষ্টি জন্য ময়লা-আবর্জনাবাহী ছড়াগুলো সংরক্ষন ও ছড়ার পাড়ে বসার স্থান সহ ওয়াকওয়ে নির্মান করা হচ্ছে জানালেন সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

সোমবার (০৭ ডিসেম্বর ২০২০) সকালে নগরীর উপশহরের হলদি ছড়া সংরক্ষনে আরসিসি রিটেইনিং ওয়াল ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ কাজ পরিদর্শন শেষে সিসিক মেয়র বলেন, ছড়া উদ্ধার, সংরক্ষন ও সৌন্দর্য্যবর্ধনের চলমান এসব প্রকল্পের কাজ শেষ হলে নগর আবারও প্রকৃতির কাছে ফিরে যাবে।

এসময় তিনি প্রকল্প সংশ্লিষ্ঠদের দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশণা প্রদান করেন।

সিসিক মেয়র বলেন, এরই মধ্যে নগরের চা বাগান সংলগ্ন গোয়াবাড়ী-করেরপাড়া এলাকায় কালিবাড়ী ছড়া সংরক্ষণে আরসিসি রিটেইনিং ওয়াল ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের ফলে আবর্জনায় দুর্গন্ধ ছড়ানো সেই ছড়াটি এখন নগরবাসীর বিনোদনের অন্যতম স্থানে রূপান্তরিত হয়েছে।

একই প্রকল্পের আওতায় নগরীর শাহী ঈদগাহ টিবি গেইটে সবুজায়ন ও ইতিহাস ঐতিহ্যকে প্রাধান্য দিয়ে গোয়ালীছড়ায় ওয়াকওয়ে ও পার্ক নির্মাণের কাজ চলমার রয়েছে। যেখানে সুপ্রসস্থ ওয়াকওয়ের সীমানা প্রাচীরে সিলেট ও বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্য সন্বিবেশিত করা হবে বলেও জানান সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

প্রসঙ্গত, সিলেট সিটি করপোরেশনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত প্রধান প্রধান ১১টি ছড়া সংরক্ষণ এবং আরসিসি রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় এপর্যন্ত ২৫ কিলোমিটার ছড়া সংরক্ষণ ও ৩ কিলোমিটারের অধিক ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হয়েছে।