কাজের অগ্রগতিতে সকল সিটি করপোরেশনের মধ্যে প্রথম হয়েছে সিসিক



কাজের অগ্রগতিতে সকল সিটি করপোরেশনের মধ্যে প্রথম হয়েছে সিসিক

 

 

সিলেট সিটি করপোরেশন বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির কাজের অগ্রগতি বিবেচনায় দেশের সকল সিটি করপোরেশনের মধ্যে প্রথম হয়েছে। আর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের ২৪ টি দপ্তর ও সংস্থার মধ্যে তৃতীয় স্থান লাভ করেছে সিসিক।

 

রবিবার সকালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ে থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এই ঘোষনা দেয়া হয়।

 

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলামের উপস্থিতিতে, মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব হেলাল উদ্দিন ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির কাজের অগ্রগতি মূল্যায়নের এই ফলাফল ঘোষনা দেন।

 

এতে সিসিক সকল সিটি করপোরেশনের মধ্যে প্রথম স্থান লাভ করে। আর মন্ত্রনালয়ের ২৪ টি দপ্তর ও সংস্থার মধ্যে তৃতীয় স্থান অর্জন করে পর্যটন নগরী খ্যাত সিলেট সিটি করপোরেশন।

 

উক্ত ভিডিও কনফারেন্সে সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে থেকে যুক্ত থেকে সিসিকের পক্ষে ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর করেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সরকারের যুগ্ম সচিব বিধায়ক রায় চৌধুরী।

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. রুহুল আলম ও সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ^াস।

 

সিলেট সিটি করপোরেশনের এমন সাফল্য নগরবাসির প্রতি উৎসর্গ করে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, সিসিকের তুলনামূলক অগ্রগতি ও উন্নয়ন নগরবাসীর সহযোগিতায় সম্ভব হয়েছে। নাগরিকদের সার্বিক সহযোগিতায় ও সিসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের পুরস্কার হিসাবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় এ স্বীকৃতি দিয়েছেন।

 

সিসিক মেয়র বলেন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলামের দিক নির্দেশনায় এবং মন্ত্রনালয়ের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় সিলেট সিটি করপোরেশন ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি অনুসারে প্রকল্প বাস্তবায়নে লক্ষমাত্রা অর্জন করে। সিসিকের উন্নয়ন ধারবাহিকতা অব্যাহত রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

 

সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সরকারের যুগ্ম সচিব বিধায়ক রায় চৌধরী বলেন, সিসিকের এই উন্নয়ন সাফল্যের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে সকল কর্মকর্তা কর্মচারী নিরলসভাবে কাজ করছেন। করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ২০২০-২০২১ সালের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি করা হয়েছে। মন্ত্রনালয়ের দিক নিদের্শনায় এ চুক্তির বাস্তবায়নে ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের মতো সিসিক সফল হবে বলেই প্রত্যাশা করেন তিনি।

 

উল্লেখ, ই-নথি কার্যক্রমে সিলেট সিটি করপোরেশন একাধিকবার প্রথম স্থানে থাকলেও দেশের সবকটি সিটি করপোরেশনের মধ্যে বর্তমানে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। সিসিকের নিজস্ব ল্যাবে কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়মিতভাবেই ই-নথি সংক্রন্ত প্রশিক্ষন দেয়া হয়।