অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘ইন্টারনেট সেফটি এওয়ার্নেস প্রোগ্রাম’ অনুষ্ঠিত



ইন্টারনেট আসক্তি অল্প বয়সীদের পড়ালেখার মারাত্মক ক্ষতি করছে উল্লেখ করে সিলেটে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, এ ব্যাপারে সন্তানদের পাশাপাশি অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে। তথ্য-প্রযুক্তির অসৎ ব্যবহার কঠোর ভাবে নিয়ন্ত্রন করতে হবে। পাশাপাশি প্রয়োজন তথ্য-প্রযুক্তির আইনের কঠোর প্রয়োগ। তা না হলে নতুন প্রজন্মের মেধার অপচয় ঠেকানো যাবে না, অপরাধও আরো বেড়ে যাবে।

তিনি বুধবার (২ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের হল রুমে আয়োজিত ‘ইন্টারনেট সেফটি এওয়ার্নেস প্রোগ্রামে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বাবলী পুরকায়স্থের সভাপতিত্বে ও আরবান কমিউনিটি মবিলাইজার সেগুপ্তা জাহান রাইজার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় মেয়র আরো বলেন, আধুনিক যুগে ইন্টারনেটের ঘটনাগুলোর সাথে আমরা সবাই কম বেশি পরিচিত। আপনার সাথে কিংবা আপনার পরিচিত কারোর সাথে এমন ঘটনা ঘটেছে কিংবা এমন ঘটনা আপনি শুনেছেন। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন, ইন্টারনেটে বিপদগুলো কেন ঘটে? আমাদের ব্যক্তিগত ছবি ভিডিও কীভাবে অনেকের হাতে পৌঁছে যায়? কখনো ভেবেছেন, এইসবের জন্য আমরাই দায়ী কি না? ইন্টারনেট সেফটি ’র জন্য আমরা কী কী করতে পারি? তিনি বলেন, সাইবার ক্রাইমের শিকার সবচেয়ে বেশি হচ্ছে টিনএজাররা। কিন্তু আধুনিকায়নের এই যুগে আমাদের চাইলেই এ থেকে দুরে রাখা সম্ভব নয়। মেয়র বলেন, ইন্টারনেটের খারাপ দিক বর্জন করে ভালো দিকটাই গ্রহন করতে হবে। তবেই পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ় হওয়ার পাশাপাশি, সন্তানদের মানবিক মূল্যবোধও জাগ্রত হবে। তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোয় সন্তানদের এসব বিষয়ে শিক্ষা প্রদানের পাশাপাশি সচেতনতার প্রতি তাগিদ দেন।

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম সুমন ও ইউনিসেফ সিলেটের ফিল্ড অফিসার কাজী দিল আফরুজা।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইউনিসেফ এর সিলেটের শিশু সুরক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল কায়ের, আরবান কমিউনিটি মবিলাইজার জয়নাল আবেদীন, তানিয়া ই্য়াসমিন ও রিনা বেগম।